বাংলাদেশে পোশাক শ্রমিকদের নিয়ে কাজ করেন গণতান্ত্রিক বিপ্লবী পার্টির নেতা মোশরেফা মিশু — নারী শ্রমিকদের জীবন, সংগ্রাম ও নারী আন্দোলন নিয়ে তার সাক্ষাৎকার নিয়েছেন লেখক ও গবেষক দিলশানা পারুল।

মোশরেফা মিশু: “বিচার হচ্ছে না বলেই নারীর বিরুদ্ধে অপরাধ আরও বাড়ছে” দিলশানা পারুল April 16, 2021

মোশরেফা মিশু। ফটো : মোহাম্মদ আসাদ/প্যাসিফিক প্রেস/আলামি

দিলশানা: আপনি নিজেকে কীভাবে পরিচয় দেবেন?

মোশরেফা: আশির দশকে ছাত্র ঐক্য ফোরাম করতাম। ছাত্র ঐক্য ফোরামের সাধারণ সম্পাদক ছিলাম। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়া অবস্থায় সামরিক শাসনের বিরুদ্ধে আন্দোলনের সামনের সারির নেতা ছিলাম। তখন আমরা একই সঙ্গে সামরিক জান্তা এবং মৌলবাদী শক্তির বিরুদ্ধে লড়াই করছি। বিশ্ববিদ্যালয়ের শেষবর্ষে এসে শ্রমিকদের সঙ্গে কাজ করা শুরু করি। অনেকে ভাবত, বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাশ করে বোধ হয় কোনো এনজিও এর সঙ্গে যুক্ত হয়ে যাব বা রাজনীতি ছেড়ে দিব। কিন্তু পাশ করার পর আমি শ্রমিকদের কাজের সঙ্গে আরও ভালোভাবে যুক্ত হই। তারপর আমি গার্মেন্টস শ্রমিক ঐক্য ফোরাম গড়ে তুলি এবং ১৯৯৫ সালের অক্টোবর মাসে এই ফোরামের সভাপতি নির্বাচিত হই। সেই থেকেই গার্মেন্টস শ্রমিকদের সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছি।

এর পাশাপাশি ১৯৯৭ সালে আমরা শ্রমজীবী মানুষদের নিয়ে একটা পার্টি গড়ে তুলি। কারণ আমরা দেখলাম, এইখানে যারা বাম রাজনীতি করেন, তারা আসলে তৎপরতার দিক থেকে মধ্যবিত্ত বা উচ্চবিত্তের পারপাস সার্ভ করছেন। এইটা আমার কাছে ছাত্র বয়সেই পরিষ্কার হয়েছে, শ্রমজীবী মানুষের এম্পাওয়ারমেন্ট ছাড়া আসলে জনগণের ক্ষমতায়ণ সম্ভব না। শ্রমজীবী মানুষের পরিধিটা আসলে এত বিস্তৃত যে আমি চিন্তা করা শুরু করলাম, কোন সেক্টরটা ধরে কাজ শুরু করব। আমি বস্তিগুলোতে ঘোরা শুরু করলাম। পাট, টেক্সটাইল, সুগার মিল সমস্ত জায়গায় খোঁজখবর নেয়া শুরু করলাম। চা বাগানের শ্রমিকেরাও আছে। সবকিছু দেখে সিদ্ধান্ত নিলাম, গার্মেন্টস শ্রমিকদের মধ্যেই কাজ করব।

১৯৯৭ সালে আমরা একটা প্ল্যাটফর্ম করলাম। সেইটাই হচ্ছে গণতান্ত্রিক বিপ্লবী পার্টি। বর্তমানে আমি গার্মেন্টস শ্রমিক ঐক্য ফোরামের প্রেসিডেন্ট এবং আমাদের পার্টির সাধারণ সম্পাদক। আমাদের একটা পত্রিকা বের হয় “প্রতিরোধ” নামে। সেই পত্রিকার সম্পাদক আমি। “লড়াকু” নামে গার্মেন্টস শ্রমিকদেরও একটা পত্রিকা বের হয়; যদিও সেইটা অনিয়মিত।

দিলশানা: নারী হিসেবে কাজ করতে যেয়ে কী ধরনের সমস্যা বা প্রতিবন্ধকতার মুখোমুখি হতে হয়েছে?

মোশরেফা: মধ্যবিত্তের মধ্যে নারীকেন্দ্রিক সংকীর্ণতা আছে। আমি শ্রমিকদের মধ্যে কাজ করতে যেয়ে দেখলাম যে ওরা শুধু দেখতে চায়, ওদের পক্ষে কে দাঁড়িয়েছে। সে নারী না পুরুষ, সেইটা তাদের কাছে খুব বড় ব্যাপার না। যেই কারণে শ্রমিকেরা আমাকে খুব সহজেই গ্রহণ করেছে। মালিকেরা যখন বলতে চায়, “সে তো টাকা খেয়েছে”, সেইটা কিন্তু শ্রমিকেরা বিশ্বাস করে না। মধ্যবিত্ত নারীদের মধ্যে অনেক ধরনের ইনসিকিউরিটি কাজ করে, যেইটা শ্রমিক শ্রেণির নারীদের মধ্যে নাই । যেমন আমি শাড়ি পরতে জানতাম না। আগে আমি খাকি পোশাকের মতো একটা পোশাক পরতাম। কিন্তু যেহেতু শ্রমিকদের মধ্যে কাজ করতে যাব, তারা যদি মনে করে আমি বয়সে ছোট এবং গুরুত্ব না দেয়, ওই জন্য শাড়ি পরা শুরু করলাম। অবশ্য পরে বুঝেছি, সালোয়ার-কামিজ পরলেও আসলে শ্রমিকদের মধ্যে কোনো সমস্যা হতো না। শ্রমিকদের মধ্যে সংগঠক হিসেবে গ্রহণযোগ্যতা পেতে আসলে আমাকে খুব একটা সমস্যা পোহাতে হয় নাই। তবে চারপাশে অনেক ধরনের কথাবার্তা শুনতে হয়েছে। যেমন, একা একটা অবিবাহিত মেয়ে; কয়দিন টিকবে; সব ছেড়ে দিয়ে বিদেশ চলে যাবে ইত্যাদি। এই কিছুদিন আগে এইগুলা শোনা বন্ধ হয়েছে।

দিলশানা: আপনি যে মেয়েদের সঙ্গে কাজ করেছেন, কাজ করতে যেয়ে তাদেরকে কী ধরনের সমস্যা বা প্রতিবন্ধকতার মুখোমুখি হতে দেখেছেন?

মোশরেফা: আমি যখন শুরু করি, সেই সময় শ্রমিকদের তো আসলে ফ্যাক্টরি থেকে পরিচয়পত্র দেয়া হতো না। মধ্যরাত পযর্ন্ত তাদের কাজ করতে হতো। এতো রাতে বাড়ি ফেরার সময় পুলিশ তাদের রাস্তায় আটকাত এবং ভাবত, সেক্স ওয়ার্কার। তাদের সঙ্গে সেই রকমই অসম্মানজনক আচরণ করত, যৌন নিপীড়ন করত। তারা যে শ্রমিক, সেই প্রমাণ তো এই মেয়েরা দেখাতে পারত না। এই নিপীড়ন সহ্য করে সে যখন মাঝরাতে ঘরে ফিরত, তখন তার স্বামীও তাকে বলত যে এত রাতে তো ভালো মেয়েরা বাইরে থাকে না। নিশ্চয়ই সে খারাপ মেয়ে এবং স্বামীও তাকে নিপীড়ন করত।

তখন কর্মজীবী নারী হোস্টেল ছিল। কিন্তু শ্রমজীবী নারী হোস্টেলতো ছিল না। দেখা যেত চারজন, পাঁচজন মেয়ে মিলে একটা ঘরে গাদাগাদি করে থাকছে। পরে আস্তে আস্তে যখন এই সেক্টরের প্রসার ঘটতে থাকে, তখন একটু একটু করে এই অবস্থারও উন্নতি হতে থাকে। আগে বাড়িওয়ালারা এই মেয়েদের ঘর ভাড়া দিতে চাইত না। পরে আস্তে আস্তে মালিকেরাও বুঝল, বাড়িওয়ালারাও বুঝল। তারা মেয়ে হিসেবে না; এই শ্রমজীবী মেয়েগুলোকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা পুঁজির স্বার্থে, লাভের স্বার্থে তাদের কাছে ঘর ভাড়া দিতে লাগল।

আগে রাস্তায় রাস্তায় যৌন নিপীড়নের স্বীকার হতো এই সব মেয়েরা। পুলিশের কাছে যৌন হয়রানির শিকার হতো, ঘরে ফিরলে স্বামী তাকে ভুল বুঝত এবং নিপীড়ন করত। কতো মেয়ে যে আমার কাছে কান্নাকাটি করত! এইগুলা দেখে তখন নিজের কাছেই নিজের প্রতিশ্রুতিটা আরও পাকাপোক্ত হয়েছে। মনে হয়েছে, এই সেক্টরে কাজ করতেই হবে। এই সেক্টরের পরিবর্তনের জন্যই কাজ করতে হবে।

দিলশানা: আগের চেয়ে কি পরিস্থিতির পরিবর্তন হয়েছে?

মোশরেফা: বাইরে থেকে দেখলে বলা যায়, আগের এই অবস্থার পরিবর্তন হয়েছে। কিন্তু ভিতরে ভিতরে শোষণ-জুলুমের মাত্রা বেড়ে গেছে। ফ্যাক্টরির ভিতরে বা বাইরে তো যৌন নিপীড়ন সবসময়ই ছিল। জাহাঙ্গীরনগর আন্দোলন এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্দোলনের পর যৌন নিপীড়ন বিরোধী নীতিমালা আমরা আমাদের সংগঠনে এবং দাবি-দাওয়ার মধ্যে অন্তর্ভুক্ত করে নিয়েছি। গার্মেন্টস শ্রমিকদের দাবি-দাওয়ার মধ্যে এইটা একটা দাবি। আমরা যে যে সেক্টরে কাজ করছি, সব সেক্টরেই এইটা অর্ন্তভুক্ত করেছি।

দিলশানা: এখনকার নারী আন্দোলনগুলো নিয়ে যদি একটু বলেন…

মোশরেফা: এখন নারী আন্দোলন কোথায় হচ্ছে যদি বলেন! আমি তো কোনো নারী আন্দোলন দেখছি না। শুধু দেখি, ৮ মার্চ আসলে সবাই বেগুনি শাড়ি পরে মহাসমারোহে রাস্তায় নামে।

দেশের জনগোষ্ঠীর ৪৯ শতাংশের বেশি হচ্ছে নারী। অথচ সেইখানে ঘরে-বাইরে নারীর উপর যৌন নির্যাতন যে রকম বেড়েছে, যৌন নিপীড়ন বেড়েছে, মজুরি বৈষম্য, ট্রেড ইউনিয়ন করার অধিকার নাই… এই রকম পরিস্থিতিতে যেই রকমের আন্দোলন হওয়ার কথা, সেইটা কই? নারীদের সংগঠিত করা এবং প্রত্যেকটা পর্যায়ে কাজ করার তৎপরতা কই ? এই যে জনগোষ্ঠীর এতো বিরাট একটা অংশ নারী, সেইখানে নারী রেইপড হচ্ছে, গ্যাং রেইপড হচ্ছে, কোনোটার সুষ্ঠু বিচার হচ্ছে না। বিচার হচ্ছে না বলেই নারীর বিরুদ্ধে অপরাধ আরও বাড়ছে।

জাতীয়ভাবে সম্পত্তিতে নারীর উত্তরাধিকারের দাবি আদায়, এই সমস্ত কিছু নিয়ে জাতীয় পর্যায়ে যে পরিমাণে শক্তিশালী একটা নারী আন্দোলনের দরকার, সেইখানে যারা বর্তমানে নারী আন্দোলন করেন, তাদের কারও মধ্যে এই ধরনের কোনো কমিটমেন্ট দেখছি না। যারা টিভিতে টক শো করেন, তাদের কারো মধ্যে আমি দেখিনি যে নারীর অধিকার নিয়ে ধারনাগুলো খুব স্পষ্ট এবং এই ব্যাপারে তারা কমিটেড।

নারীরা বাইরে বের হচ্ছে, অফিস-আদালতে কাজ করছে, পাইলট হচ্ছে। পুঁজিবাদীরা যেনতেন ভাবে নারীর ক্ষমতায়ণের কথা বলে একটা চেয়ারে বসিয়ে দিলেই নারীর ক্ষমতায়ণ হয়ে গেল, আমরা কিন্তু সেইটা মনে করি না। যেমন, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী নারী, স্পীকার নারী; তারমানে কি এই যে, নারী অধিকার নিশ্চিত হয়েছে? নারী বিভিন্ন চেয়ারে বসছে… তারমানে কি এই যে দলের মধ্যে, সংসদে, পরিবারে তার সিদ্ধান্ত নেয়ার ক্ষমতা তৈরি হয়েছে? তারপর রাজনৈতিক দলগুলার ভিতরে নারীর দর কষাকষির ক্ষমতা কতখানি তৈরি হয়েছে, সেই জিনিসগুলা কিন্তু আমরা দেখতে পাচ্ছি না।

সেই জন্য বলছি, নারীর মুক্তির জন্য বা নারীর অধিকার আদায়ের জন্য যে আন্দোলন প্রয়োজন সেইটা হচ্ছে না।

দিলশানা: নারী অধিকার আন্দোলনের সম্ভাবনা কী দেখেন?

মোশরেফা: সম্ভাবনা আছে। কারণ এখন নারীরা আগের চেয়ে পড়াশোনাতেও এগিয়ে গেছে, কর্মক্ষেত্রেও এগিয়ে গেছে। ওই জায়গা থেকেই বোঝা যায়, সম্ভাবনা আছে। এখন আমরা যখন শ্রমিকদের মধ্যে কাজ করি, তখন নারী শ্রমিকেরা বলেন, আমরা বিদেশ থেকে বৈদেশিক মুদ্রা আনি; তাহলে আমাদের কেন কথা বলার অধিকার থাকবে না। মধ্যবিত্ত নারীরা এই লড়াইয়ে অংশ নিচ্ছেন, তবে সেইটা খুবই কম। নারীর ক্ষমতায়ণের জন্য যে নীতি এবং যে কাজগুলা করা দরকার, সেইটা করা হবে বলে আমি মনে করি।

আর একটা কথা না বললেই না। আমার কাছে মনে হয়েছে, শ্রমজীবী নারীদের প্রভাব মধ্যবিত্ত নারীদের মধ্যে পড়ছে; বিশেষ করে গার্মেন্টস শ্রমিক নারীদের প্রভাব। মধ্যবিত্ত মেয়েরা দেখে, এতো কম বয়সে, এতো অল্প শিক্ষা নিয়ে গার্মেন্টসের নারীরা বৈদেশিক মুদ্রা আনছে, সেইখানে সে এতো শিক্ষিত হয়ে কেন ঘরে বসে থাকবে? কেন তাকে ঘরে আটকে রাখা হবে? কাজেই শ্রমজীবী নারীদের এই আন্দোলন তাদের উৎসাহিত করেছে বাইরে কাজ করতে।

দিলশানা: এই সময় থেকে যদি আমরা জোরদার নারী অধিকার আন্দোলন দাঁড় করাতে চাই তাহলে কোথায় কাজ করতে হবে? কোথায় জোর দিতে হবে?

মোশরেফা: নারী অধিকারের জন্য গার্মেন্টস, জুট, টেক্সটাইল, অফিসে, আদালতে এবং ঘরে প্রত্যেকটা সেক্টরে কাজ করতে হবে। গৃহস্থালীর কাজের জন্য নারীর যে শ্রম, সেইটা জাতি গঠনের কাজ হিসেবে মূল্যায়ন করতে হবে। এইটাকে দেশ ও জাতি গঠনে নারীর ভূমিকা হিসেবে সংবিধানে স্বীকৃতি দিতে হবে।

দিলশানা: এই কাজগুলো কীভাবে করা যায়?

মোশরেফা: অনেক সময় আমরা দেখি, নারীর একটা ইস্যু নিয়ে একটা সেমিনার করে দায় সেরে ফেলা হয়। কিন্তু এইভাবে করলে আসলে হবে না। আমাদেরকে সুনির্দিষ্ট করতে হবে, রাষ্ট্রীয় পর্যায়ের প্রধান থেকে শুরু করে একদম ইউনিয়ন পর্যায়ের মেম্বার পর্যন্ত, তাদের ক্ষমতা কাঠামোতে পরিবর্তন আনতে হবে। ক্ষমতা কাঠামোর পরিবর্তন ছাড়া নারী মুক্তি সম্ভব না।

আপনি দেখবেন, উপজেলা-জেলা পর্যায়ে যে নারী নেতৃত্বকে নিয়োগ দেয়া হয়, তারা অফিসে গিয়ে বসে থাকছে; তাদের কোনো কাজ দেয়া হচ্ছে না। কারণ আন্তর্জাতিক চাপে, টাকা আনতে গেলে নারীকে তাদের নিয়োগটা দিতে হয়। নারীকে দেখার ভঙ্গি তাতে বদলায় না। সেই জন্য আমরা বলি, প্রকৃত অর্থে নারীর ক্ষমতা প্রতিষ্ঠা করতে হবে। ক্ষমতা বলতে আমরা বলছি যে প্রতিটি ক্ষেত্রে নারীর কথা বলা নিশ্চিত করা এবং সেইটার স্বীকৃতি দিতে হবে। এইটা না হলে নারীর এগিয়ে যাওয়া সম্ভব না।

দিলশানা: কৌশল অর্থে জাতীয় পর্যায়ে কী করা যায়?

মোশরেফা: গার্মেন্টস শ্রমিক নারীদের মধ্যে সংগঠন, গ্রামীণ নারীদের মধ্যে সংগঠন, এই রকম করে সব সেক্টরে নারী সংগঠন গঠন করে কাজ করতে হবে। প্রত্যেকের আলাদা আলাদা দাবি আছে, আবার অভিন্ন সমস্যাও আছে। ওই জায়গা থেকেই ঐক্যবদ্ধ হয়ে অভিন্ন দাবিতে কর্মসূচি নির্ধারন করতে হবে। ঐক্যবদ্ধভাবে রাষ্ট্রের উপর চাপ প্রয়োগ করতে হবে যেন এই অবস্থার পরির্বতন করা হয়। এইটা তো সম্ভব হবে না, যদি না আমরা সমাজ পরিবর্তন করতে পারি। মুক্তিযুদ্ধের অঙ্গীকার ছিল তিনটা — সাম্য, মানবিক মযার্দা এবং ন্যায় বিচার। এই তিনটার ক্ষেত্রে নারী-পুরুষে সমতা যদি নিশ্চিত করা না হয়, তাহলে কোনোভাবেই নারী অধিকার নিশ্চিত হবে না।●